সোমবার দুপুর ২ টায় এ হামলা চালানো হয়। এ সময় ৩ টি রুম ভাঙচুর ৩ ছাত্রকে বেদম মারধর করা হয়। ঘটনার পর পরই হোস্টেলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হোস্টেলের উপ সহকারী সুপার সুবোধ রঞ্জন মণ্ডল জানান, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কলেজ প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।
কোতোয়ালী থানার ওসি আওলাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। হোস্টেলে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হামলায় আহত তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মেহেদী জানান, প্রথম বর্ষের ছাত্র জাহিদ শরীফ ১৫ আগস্ট সোমবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের ব্যানারে শোক র্যালিতে অংশ নেওয়ার জন্য হোস্টেলের ছাত্রদের চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু ছাত্ররা তার নেতৃত্বে মিছিলে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা আলাদাভাবে শোক র্যালিতে অংশ নেওয়ার কথা জানালে জাহিদ শরীফ ক্ষিপ্ত হয়ে চলে যায়। পরে শোক র্যালি শেষে হোস্টেল ছাত্ররা কক্ষে আসার পর পরই জাহিদ শরীফের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন বহিরাগত যুবক হোস্টেলে হামলা চালিয়ে ২০৮, ২০৯, ২১০ নম্বর কক্ষ ভাঙচুর করে। এসময় রকি, সজল, মেহেদী আহত হন।
পরে সাধারণ ছাত্ররা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
/এমএসএম/