স্থানীয়রা জানান, আগে থেকেই বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। জোয়ারের প্রবল চাপে হঠাৎ করেই ভোর রাতে বাঁধটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে, এবং পানিতে তলিয়ে গেছে শতাধিক মাছের ঘের ও ফসলি জমি।
তারা আরও জানান, ইতেমিধ্যে স্থানীয় প্রায় দুই শতাধিক মানুষ স্বেচ্ছায় বেড়িবাঁধটি সংস্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বেড়িবাঁধটি সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেই প্রতাপনগর ইউনিয়নবাসীর এই দুর্দশা। বারবার বলা সত্ত্বেও পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধটির সংস্কারে কোনও উদ্যোগ নেয়নি।’
তিনি আরও জানান,‘এখনই বাঁধটি সংস্কার করতে না পারলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে পারে।’
এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
গুলশান হামলার আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে ১৪ লাখ টাকা: মনিরুল ইসলাম