জেএমবির এই দুই নেতার একজন হলো বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট গ্রামের মৃত একরামুল হকের ছেলে সুলতান মাহমুদ (৪৮)। সে জেএমবির সাবেক শূরা সদস্য এবং বর্তমানে রংপুর বিভাগের প্রচারের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা। অপরজন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বকচর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে শাহাদত হোসেন শাদ ওরফে রতন (২৩), সে জেএমবির রংপুর বিভাগের দায়ী (দাওয়াত) সদস্য।
বগুড়ার সিনিয়র এএসপি (মিডিয়া) গাজিউর রহমান সাগর জানান,‘সম্প্রতি গাইবান্ধা পুলিশ জেএমবি নেতা সুলতান মাহমুদ ও শাহাদত হোসেন শাদ ওরফে রতনকে গ্রেফতার করে। এরা ২০০৫ সাল থেকে জেএমবির সঙ্গে জড়িত। সুলতানের আসল বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের গুবাপুরি গ্রামে। বগুড়ার শেরপুর থানা এলাকায় ২০১৫ সালের একটি নাশকতা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘গত ১৯ সেপ্টেম্বর দু’জনকে বগুড়ায় এনে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের শেষ পর্যায়ে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করে। শনিবার ভোরে বগুড়ার সোনাতলার বালুয়াহাট গ্রামের সুলতান মাহমুদের বাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, তিনটি চাপাতি ও একটি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।’
এপিএইচ/
আরও পড়ুন: ঢামেক হাসপাতালে ‘স্পেশাল দুইশ ওয়ার্ডবয়’ যেন ডাক্তার!