এসআই এমএ ফারুক জানান, মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলায় ১০ জন জেএমবি সদস্যকে আসামি করা হয়েছিল। কিন্তু ইতো মধ্যে তিন আসামির মৃত্যুর কারণে তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে একটি এবং জাহাঙ্গির, সাদ্দাম, রিয়াজুল ও গোলাম রব্বানী নামে চার জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে অভিযোগ এনে পৃথক আরও একটি অভিযোগ পত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমোক্ত তিনজন পলাতক রয়েছে।
এর আগে গত ৬ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে ডিবি পুলিশের একটি টিম জেএমবি সদস্য গোলাম রব্বানীকে গ্রেফতার করে কুড়িগ্রামে নিয়ে আসে। তারও আগে ২৮ এপ্রি ল আবু নাসের রুবেল(২০) এবং মাহবুব হাসান মিলন (২৮) এবং ২ মে হাসান ফিরোজ (২৩) নামে তিন জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়া অন্য ৩ আসামির মধ্যে ইতিপুর্বে হোলি আর্টিজানে খায়রুল ইসলাম বাধন, শোলাকিয়ার ঘটনার আসামি হিসেবে নান্দাইলে আবু মোকাদিল ওরফে ডন ওরফে শফিউল আলম এবং রাজশাহীতে নজরুল ইসলাম ওরফে আবুল বাশীর ওরফে বাইক হাসান পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩ আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. তবারক উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য গত ২২ মার্চ কুড়িগ্রামের গাড়িয়াল পাড়া এলাকায় সকালে প্রাত ভ্রমণের সময় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ধর্মান্তরিত খৃস্টান মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে। এসময় হত্যাকারীরা ককটেল ফাটিয়ে মোটর সাইকেলযোগে পালিয়ে যায়। ঘটনার সাত মাস পর আজ সোমবার(০৭ নভেম্বর) মামলার অভিযোগ পত্র দিল পুলিশ।
/এইচকে/