তিনি বলেন, ‘২০ হাজার লোককে পুর্নর্বাসন করা খুবই কষ্ট সাধ্য বিষয়। তবুও সরকারের সদিচ্ছায় চরাঞ্চলের খাস জমিগুলো জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
মেঘনার তীব্র ভাঙনের ব্যাপারে তিনি বলেন, মেঘনা নদীর মতো একটি বড় নদীর সম্পূর্ণ ভাঙন রোধ করা কঠিন। তবে যেসব স্থানে স্কুল, কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে সেসব স্থানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাঁধ নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ নোমান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমদ খান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর কবির, রামগতি পৌরসভার মেয়র মেজবাহ উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ৩৭ কিলোমিটার এলাকায় মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙন প্রতিরোধের জন্য ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়। ওই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বরাদ্দ দিয়ে রামগতি উপজেলা সদর চর আলেকজান্ডার এলাকায় সাড়ে তিন কিলোমিটার, রামগতিরহাট মাছঘাট এলাকায় এক কিলোমিটার কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। কমলনগরের মাতাব্বরহাট এলাকায় এক কিলোমিটার নদীর তীরে সিসি ব্লক-বাঁধের আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী ও নৌ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ওই কাজ বাস্তবায়ন করছে।
আরও পড়ুন:
পদত্যাগ করে আবারও জনসেবার সুযোগ চাইলেন আইভী
/বিটি/