মামলায় আসামি করা হয়েছে- যশোর নগর কমিটির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুনির আহম্মেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, শহরের বারান্দী পাড়ার ফারুক হোসেন, শংকরপুরের জাকির হোসেন, বদিউজ্জামান ধনি, রেলগেট এলাকার মোহন, খড়কী এলাকার শিমুল, একই এলাকার নাসির, বেজপাড়া এলাকার টিপু ও ডন, চাঁচড়া এলাকার সোহরাব খান মিন্টু, রানা, বারান্দীপাড়ার মোস্তফা কামাল শিশা,বড় মনি,মোস্তফা আমির ফয়সাল, খড়কীর আনোয়ার পারভেজ, ঘোপ নওয়াপাড়ার রোডের প্লাবন, সোহাগ, বাবু ও মুন্না, কদমতলা এলাকার বুল্লা, খুলনা স্ট্যান্ড এলাকার জয়, ঝুমঝুমপুরের জাহাঙ্গীর হোসেন, রফিকুল ইসলাম, ইব্রাহিম হোসেন হাজী মহম্মদ মহসিন রোড এলাকার রিপন চৌধুরী, আকমল, লালদিঘির পাড় এলাকার এহসানুল হক মুন্না, রাজাপুরের মাসুম, চাঁচড়া ডাল মিলের সোহেল চৌধুরীসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ জানুয়ারি সকালে শহরের জেল রোড এলাকায় উত্তরা হাসপাতালের সামনে উল্লিখিত ব্যক্তিরা বসে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হলে আসামিরা পালিয়ে যায়। তবে, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি জালের কাঠি, চারটি মার্বেল, জর্দার কৌটার অংশবিশেষ ও স্কচ টেপ উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগের রাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে একই ধরনের আরেকটি মামলা করে পুলিশ।
মামলা দুটির অন্যতম আসামি সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘আমি কয়েকদিন ধরে ঢাকাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। মূলত সরকারবিরোধী আন্দোলন বানচাল করতে পুলিশ এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে। মামলাগুলো ষড়যন্ত্রমূলক।’
/এপিএইচ/এসএনএইচ/