পুলিশের দাবি, নিহত যুবক চরমপন্থী সালাম বাহিনীর সেকেন্ড -ইন কমান্ড ছিল। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, নিহত জনি মোল্লা ছিল ফুলতলার চার নম্বর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি। আর উপজেলা যুবলীগ নেতারা বলছেন, যুবলীগের সঙ্গে জনির কোনও সম্পর্ক ছিল না। খুলনা জেলা পুলিশের ওসি ওয়াচ আব্দুর রশিদ জনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সী জানান, স্থানীয় একটি ক্লাবে রাতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত জনিকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সে চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) আঞ্চলিক নেতা সালাম বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিল। তার বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতিসহ ফুলতলা থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি সালাম আদালতে আত্মসমর্পন করে। কিন্তু গত মাসে জনিকে তার সহযোগীসহ গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। চার দিন আগে সে জামিনে মুক্তি পেয়ে বের হয়ে আসে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে ফুলতলা উপজেলার বেজেরডাঙ্গা রেল স্টেশনের পার্শ্ববর্তী একটি ক্লাবে বসে জনিসহ কয়েকজন গল্প করছিল। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান জামাল বলেন, ‘নিহত জনি ফুলতলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিল।’
ফুলতলা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পদক এস এম শহীদুল্লাহ প্রিন্স বলেন, ‘নিহত জনি যুবলীগের কোনও নেতা বা কর্মী ছিল না।’
/এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
হাজারীবাগে মজুদ চামড়া প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে, নতুন করে ঢুকছে না