শনিবার নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে ‘কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ-২০১৭’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ সব কথা বলেন।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ একেএম শহীদুল হক। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস, মামুনুর রশিদ কিরণ, মোরশেদ আলম, এ.এইচ.এম ইব্রাহীম, নোয়াখালী জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ডা. এ.বি.এম জাফর উল্লাহ, জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌস, কমিউনিটি পুলিশিং এর জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ কাজী রফিক উল্লাহ, কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলাম আকবর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আলম সেলিম, সকল উপজেলা চেয়ারম্যান,সকল পৌরসভার মেয়র, সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘হলি আর্টিজান, কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানা গুড়িয়ে দেওয়াসহ সকল জঙ্গিবাদ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবদান ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকবে। দুর্গম অঞ্চলের সাধারণ মানুষের শোষণ, বঞ্চনা ও হাহাকারের ঘটনা কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পৌঁছানো সহজ হবে। আজও বাংলাদেশের দুর্গম অঞ্চল গলোতে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে মানুষ। উন্নয়ন দিয়ে বঞ্চনা ঠেকানো যায় না। ’
মন্ত্রী বলেন, ‘যদি বিবেকের কাছে সচেতন না হন, তাহলে পুলিশ একা সমাজের শান্তি আনতে পারবে না। সন্ত্রাসীরা আসে আধুনিক অস্ত্র নিয়ে। পুরনো অস্ত্র দিয়ে পুলিশ কী করে তা মোকাবিলা করবে। তাই পুলিশের জন্য আধুনিক অস্ত্র দরকার। মাদক ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলা আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। মাদক গ্রাম ও জনপদকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। একটি প্রজন্ম এ ধ্বংসের শিকার। এটাকে যদি রক্ষা করা না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে প্রজন্ম শূণ্যতা দেখা দেবে। দেশের বড় দুটি চ্যালেঞ্জ উগ্রবাদ ও মাদক। প্রধানমন্ত্রী এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ।’
পুলিশ প্রধান একেএম শহীদুল হক বলেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে জনগণের কথা পুলিশ জানতে পারবে। কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে একটি দর্শন। যতদিন রাষ্ট্র আছে ততদিন কমিউনিটি পুলিশিং থাকবে। মানুষের মাঝে যেন অপরাধ প্রবণতা না জন্মায়, কমিউনিটি পুলিশিং সে বিষয়ে সর্তকীকরণ করে। কমিউনিটি পুলিশিং অন্যতম সমাজ সহায়ক।’
/এপিএইচ/