পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আমতলী-কলাপাড়া-তালতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান্ত্রিক যান থ্রিহুইলার চলাচল নিয়ে বাস মালিক সমিতির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলে আসছে থ্রিহুইলার মালিক সমিতির। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে সোমবার সকালে আমতলী চৌরাস্তা মোড় এলাকায় পুলিশের উপস্থিতে দুই গ্রুপের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সংঘর্ষকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সহিদুল্লাহ, ওসি (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম বাদলসহ পুলিশের ছয় সদস্য আহত হন। এসময় পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুরের শিকার হয়।
এ ঘটনায় আমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে সোমবার রাতে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাসান মৃধা, যান্ত্রিক যান থ্রিহুইলার শ্রমিক ইউনিয়নের বরগুনা জেলা কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম খোকনসহ ৫৪ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও আরও দুই থেকে আড়াইশ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এর আগে, সংঘর্ষের সময় আটক ১৯ জনের মধ্যে দুই জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের পুলিশের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমতলীতে সোমবার রাতে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বরিশাল-পটুয়াখালী-বরগুনা মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক মো. রিয়াজ উদ্দিন মৃধা। এতে তিনি বুধবারের (১৫ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে তাদের সব দাবি পূরণের আলটিমেটাম ঘোষণা করেন। এই সময়ের মধ্যে দাবিগুলো পূরণ না হলে পরদিন বৃহস্পতিবার থেকেই বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটাসহ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার বাস মালিক সমিতিসহ তিন জেলার শ্রমিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন-
যশোরের শার্শায় ৮টি তাজা হাতবোমাসহ গ্রেফতার ৫
অর্থ আত্মসাৎ মামলায় বরিশাল যুবলীগ নেতা কারাগারে
/টিআর/এমএনএইচ/