মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভুর্ষি ইউনিয়নের পূর্ব ডেঙ্গামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত শিক্ষিকার নাম মিসফা সুলতানা (২৫)। তিনি ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মিসফা সুলতানার দুই হাত, দুই পা ও ঘাড়ে মারাত্মক আঘাত রয়েছে। পটিয়া উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, প্রাথমিক এক্সরে রিপোর্টে ওই শিক্ষিকার দুই হাত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।
সৈয়দ আবু সুফিয়ান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বখাটে টুটুন হঠাৎ করেই মঙ্গলবার স্কুলে ঢুকে পড়ে এবং মিসফা সুলতানাকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এসময় ওই বখাটের হাতে ছিল লোহার রড। সে পূর্বপরিকল্পিতভাবেই এই আক্রমণ চালিয়েছে বলে মনে হয়েছে।’
পটিয়া উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ওই বখাটের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ ঘটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই টুটুন উত্যক্ত করে আসছিলেন মিসফা সুলতানাকে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই শিক্ষিকা কয়েকদিন আগে স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে ওই বখাটের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে অভিযোগও করেছিলেন। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই বখাটে ও তার অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করে দেন। এসময় টুটুন আর মিসফা সুলতানাকে উত্যক্ত করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয় টুটুন ও তার পরিবার।
পটিয়া থানার ওসি নেয়ামত উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা বখাটে টুটুনকে গ্রেফতার করেছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আহত শিক্ষিকার বাবা।’ প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিসফা সুলতানার ওপর টুটুন হামলা চালিয়েছেন বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন-