পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কৃষ্ণ মাগুরার শ্রীপুর কলেজের অনার্স তৃতীয়বর্ষের এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন থেকে উত্যক্ত করে আসছিল। এর আগেও শ্রীপুর কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই অপরাধে কৃষ্ণকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছিল। ওই সময় এ ঘটনায় মামলা না করায় একদিন হাজতবাসের পর ছাড়া পায় বখাটে কৃষ্ণ। এরপর আবারও ওই ছাত্রীর পিছু নেয়।
শনিবার দুপুরে ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে মায়ের সঙ্গে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে পরীক্ষা দিতে আসে। আগে থেকে পিছু নেওয়া বখাটে কৃষ্ণ কলেজ গেটে পৌঁছালে সে ওই ছাত্রীর হাত ধরে টান দেয়।
পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার তাড়া থাকায় ওই ছাত্রীর মা তার মেয়েকে পরীক্ষা রুমে দ্রুত পৌঁছে দেন। পরীক্ষা রুমে মেয়েকে পৌঁছে দেওয়ার পর কলেজের সামনে চায়ের দোকানে ওই বখাটেকে বসে থাকতে দেখে প্রথমে চড় থাপ্পড় মারেন। এক পর্যায়ে কয়েকজন যুবকের সহযোগিতায় কৃষ্ণকে কলেজের ভেতর নিয়ে যান। এরপর নিজের ব্যাগে থাকা ছোট চাপাতি দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেন তিনি।
ওসি (অপারেশন) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশি নজরদারিতে বখাটে যুবকের চিকিৎসা চলছে। উত্যক্তের শিকার ছাত্রী বা তার মা মামলা করলে তারা বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’
/এসএমএ/