শহর ঘুরে দেখা গেছে, মাদারীপুর জেলা পরিষদের সামনে, জেলা শিল্পকলা একাডেমির পাশে ও পাঠককান্দি আশ্রমের ভেতরের কদমতলাতেও নেই কদমের সুবাস। মাদারীপুরে র্যা ব-৮ ক্যাম্পের সামনে প্রধান সড়কের পাশেও দাঁড়িয়ে আছে বিশাল একটি কদম গাছ। বর্ষার আগে প্রধান সড়কের পাশে বিশাল ওই গাছটিতে বেশ কদম ফুটেছিল। আষাঢ় আসতে না আসতেই তা রিক্ত হয়ে পড়ে।
স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সাহিত্যিক বাশার মাহমুদ বলেন, ‘মাদারীপুর শহরেই কয়েক হাজার কদম গাছ আছে। আষাঢ় গেল, শ্রাবণও শুরু হলো। অথচ কোথাও কোনও ফুটন্ত কদম নেই।’
সরেজমিনে দেখা যায়, মাদারীপুরের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্র স্বাধীনতা অঙ্গনের পাশে অনেক পুরাতন কদম গাছ আছে। প্রতি বর্ষাতেই এসব গাছে দেখা যায় কদমের সমারোহ। তবে এ বছর বৈশাখে ফুটে জ্যৈষ্ঠেই ঝরে গেছে কদম।’
মাদারীপুর রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নন্দিনী হালদার বলেন, ‘‘বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল’ তো শুধু গান নয়, এটি আবহমান বাংলার চিরায়ত সৌন্দর্য। কিন্তু এবারের আষাঢ়-শ্রাবণে সেই গান আবেদন হারিয়েছে। এ জলধারায় স্নিগ্ধতা নেই, আছে কেবলই রোদন।’
আরও পড়ুন-
শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা: অপেক্ষায় এক লাখ সনদধারী
অননুমোদিত মাদ্রাসাগুলোকে ৩ মাসের মধ্যে অনুমোদন নিতে হবে
/এএইচ/টিআর/