নিরাপদে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের নজরদারি জোরদার করে। পাশাপাশি বখাটেসহ যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রোধে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সাদা পোশাকধারী পুলিশও ছিল।
কীর্তনখোলা, সন্ধ্যা, আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে ঘুরেছেন তাদের অনেকেই ট্রলার বা নৌকা নিয়ে আপনজনদের সঙ্গে নদীর বুকে ভেসে বেড়ানোর আনন্দও নিয়েছেন। এর মধ্যে কীর্তনখোলা নদীর তীরে প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে নতুন বেড়িবাঁধ এবং ত্রিশ গোডাউন এলাকায় সৌন্দর্যের কারণে ভ্রমণ পিপাসুদের ভিড় ছিল একটু বেশি।
মুক্তিযোদ্ধা পার্কে বেড়াতে আসা রাশিদা নামের এক কলেজছাত্রী জানান, নানার বাড়িতে বেড়াতে ও কোরবানির ঈদকে ঘিরে বরিশাল এসেছেন। গত দুইদিন কোরবানি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন সবাই। আজ (ঈদের দিন) বাবা-মা, মামা-মামীসহ সবাইকে নিয়ে কীর্তনখোলা নদীর তীরের এই মুক্তিযোদ্ধা পার্কে ঘুরতে এসেছেন। নদীর তীরে হাটাহাটি ও নৌকায় ভ্রমণ সব মিলিয়ে বেশ মজাই পাচ্ছেন সবাই।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এস এম রুহুল আমিন বলেন, ‘তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ নেই।’