স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর থেকে নুরিদার স্বামী জাহাঙ্গীরসহ তাদের পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে।
নিহতের বড় ভাই ইব্রাহিম হোসেন জানান,বাবার সম্পত্তির ভাগ বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় বোন নুরিদাকে তার স্বামী জাহাঙ্গীর নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে। এর আগে নির্যাতন করায় একাধিকবার সালিশও হয়েছে।
উদয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী বলেন,মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে খবর পেয়ে তিনিই প্রথম গৃহবধূ নুরিদার ঝুলন্ত লাশ দেখে থানা এবং তার বাবার বাড়িতে খবর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে ওই গৃহবধূর সঙ্গে স্বামীর জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধ হলে সালিসের মাধ্যমে আমি মীমাংসা করেছি।’
কালাই থানার ওসি নুরুজ্জামান চৌধুরী বলেন,‘স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূ নুরিদার মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ আমার কাছে কেউ করেনি। ময়নাতদন্তের পর বুধবার নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।’
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চক বাড়ইল গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় গৃহবধূ নুরিদা বেগমের। সাত বছর বয়সী এক ছেলেও রয়েছে তাদের। নুরিদার বাবা মারা গেলে তার ভাই ইব্রাহিম হোসেন পৈত্রিক ভাগ হিসেবে তাকে একবিঘা জমি লিখে দেন। লিখে দেওয়ার পর থেকে ওই জমি নুরিদার স্বামী ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু সেই জমি বিক্রি করে টাকা নেওয়ার জন্য নুরিদার ওপর চাপ সৃষ্টি করে জাহাঙ্গীর। নুরিদা এতে রাজি না হলে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।