বিষয়টি নিয়ে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম তৌফিকুজ্জামান আন্দোলনরত প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। অন্যদিকে এবিষয়ে নিজেদের কোনও সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
আগাম কোনও নোটিশ বা কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের বাতিল করায় বুধবার বিকেল থেকে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে দিনাজপুর পিটিআই’র প্রশিক্ষণার্থীরা। এই অবস্থায় ভর্তি বাতিলকে অমানবিক বলে উল্লেখ করেন প্রশিক্ষণার্থীরা। তারা সাফ জানিয়ে দেন দুজন প্রশিক্ষণার্থীর ভর্তি বাতিল করলে ১৬১ জন প্রশিক্ষণার্থীর ভর্তি বাতিল করতে হবে। বুধবার বিকেলে তারা ডিপ ব্রিফিংয়ের ক্লাসে অংশ না নিয়ে পিটিআই গেটে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ প্রশিক্ষণার্থীরা পিটিআই ভবনের মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে দিনাজপুরের সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের কিছুটা শান্ত করেন। ফলে আন্দোলনরত প্রশিক্ষণার্থীরা পিটিআই ভবনের মূল গেটের তালা খুলে দেন।
এদিকে উদ্ভুত পরিস্থিতি নিরসনে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম তৌফিকুজ্জামান দফায় দফায় প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করলেও প্রশিক্ষনার্থীরা আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেননি।
এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম তৌফিকুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলা হলেও তিনি সঠিক জবাব দিতে পারেননি। তবে তিনি জানান, প্রশিক্ষণার্থীদের দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ার বিষয়টি পিটিআই কর্তৃপক্ষের।
এ ব্যাপারে দিনাজপুর পিটিআই’র সুপারিনটেডেন্ট মোছাম্মৎ দিলরুবা চৌধুরী বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী দুই শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) পরীক্ষা পরিচালনা উপবিধি-২০০৯ এর বিধি ১২.১৬ (অংশ-২) এর ধারা মোতাবেক তাদের ভর্তি বাতিল করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
রসিক নির্বাচন: আওয়ামী লীগে প্রার্থীর আধিক্য, এখনও দ্যোদুল্যমানতায় বিএনপি