কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, অস্ত্র এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। গ্রেফতার তিন জন বেসরকারি কোম্পানির কর্মকর্তা আমিনুর রহমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এদের মধ্যে সুমনের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাতটি মামলা এবং রুবেলের বিরুদ্ধে একটি হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, কুমিল্লা নগরীর রাণীর দিঘিরপাড় এলাকায় গত বুধবার রাতে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আমিনুর রহমান নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা নিহত হন। এ ঘটনায় ঘাতকদের গ্রেফতারে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়ার নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানে নামে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে সুমন ওরফে ডাকাত সুমন ওরফে গালকাটা সুমন, হারুন মিয়ার ছেলে রুবেল এবং চর্থা থিরাপুকুরপাড় এলাকার তাহের মিয়ার ছেলে জামালকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে সুমনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশ তাকে নিয়ে ওই রাতে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে একটি ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন ঝোঁপ থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় দেশীয় একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র উদ্ধার শেষে ফেরার পথে গ্রেফতার সুমনের সহযোগী ছিনতাইকারীরা বারপাড়া এলাকায় পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এসময় পুলিশ ও ছিনতাইকারীদের মধ্যে গুলি বিনিময় ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের দুই এসআই আহসান হাবিব, মজনু, একজন এএসআই ও দুই জন কনস্টেবলসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদেরকে কুমিল্লা জেনারেল (সদর) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।