শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় অহিদুল্লাহকে আহত অবস্থায় মাওনা চৌরাস্তা আল হেরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযুক্ত আব্দুর রাশিদ (৪৫) পার্শ্ববর্তী কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের নূরুল ইসলামের ছেলে। তিনি বহেরারচালা এলাকায় অহিদুল্লাহর বাড়ির পাশে জমি কিনে প্রায় দুই বছর যাবত বসবাস করে আসছেন।
নিহতের মেয়ে লাকি আক্তার (২৫) জানান, গত মঙ্গলবার বিকালে প্রতিবেশী রাশিদের স্ত্রী মাওনা চৌরাস্তা মার্কেটে যান। তখন রাশিদ বাড়িতে ছিলেন না। বাইরে থেকে এসে স্ত্রীকে বাড়িতে না পেয়ে প্রতিবেশী অহিদুল্লাহর কাছে জানতে চান যে,তার স্ত্রী লাকি আক্তারকে বাজারে যেতে দেখেছেন কিনা। তখন অহিদুল্লাহ জানান, রাশিদের স্ত্রী সালোয়ার-কামিজ পরে মার্কেটে গেছেন। রাশিদ এ কথা শুনে অহিদুল্লাহর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। রাশিদ এসময় অহিদুল্লাহর বুকে কিল- ঘুষি মারলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে বমি শুরু হলে স্বজনরা তাকে আহতাবস্থায় মাওনা চৌরাস্তার আল হেরা হাসপাতালে নিয়ে যান।সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক অহিদুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আব্দুর রাশিদ ও বাড়ির লোকেরা পলাতক রয়েছেন।
আল-হেরা হাসপাতালের চিকিৎসক পঙ্কজ শীল জানান, অহিদুল্লাহকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।হাসপাতালের রিপোর্টে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসানকে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: