লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন সীমা ও তমালিকা পারভীন বলেন, ‘আমাদের মতো গ্রামের মেয়েরা স্বল্প খরচে এখন থেকে হোস্টেলে থেকে নিয়মিত ক্লাস করতে পারবে।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আল হাসান সোহাগ বলেন, ‘আমাদের জন্যও আবাসিক হোস্টেল নির্মাণ করা হোক। এছাড়া পরিবহন সুবিধাও দেওয়া হোক। তাহলে দূর থেকে কলেজে আসা-যাওয়ার সুবিধা হবে।’
লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ সুজন শাহ-ই-ফজলুল বলেন, ‘ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণের ফলে নারী শিক্ষায় পশ্চাৎপদ এ অঞ্চলের গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থান করে নিয়মিত ক্লাস করতে পারবে। নারীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে হোস্টেলটি। তবে কলেজে লাইব্রেরি ও অডিটোরিয়াম কাম একাডেমিক ভবন না থাকায় মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দিয়েও কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।’
লালমনিরহাট সরকারি কলেজ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা ১৯৬৪ সালের ১ জুলাই বর্তমান লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি টিনশেড ভাড়া ঘরে লালমনিরহাট কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। লালমনিরহাট জেলা জজ আদালত এলাকায় কলেজটির বর্তমান ক্যাম্পাসে নতুন বিল্ডিং নির্মিত হলে ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি সেখানে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর কলেজটি জাতীয়করণ করে তৎকালীন সরকার।