নেয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াস শরীফ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় মাইজদীর পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন মধুসূদনপুরের একটি বাড়ি থেকে আটক করা হয় শিবিরকর্মীদের। আটকের সময় মাইজদীর ১ নং ওয়ার্ডের আমেনা মঞ্জিল নামে ওই বাড়ির চতুর্থ তলায় তারা গোপন বৈঠক করছিল।
আটক শিবিরকর্মীদের মধ্যে ১৯ জন নোয়াখালী সরকারি কলেজ, ১০ জন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদালয়, একজন কুমিল্লা ল কলেজ ও একজন নোয়াখালী পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী। বাকি সাত জন বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এর মধ্যে আছেন পৌর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল রাকিব।
পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফ বলেন, বৈঠক চলাকালে তাদের আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২১টি পেট্রোল বোমা, আটটি কিরিচ, বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই, নাশকতার পরিকল্পনা নকশা ও ছক এবং আটটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানের সময় থেকেই আমেনা মঞ্জিলের মালিক ইকবাল ফারুক পলাতক রয়েছেন। তার ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুধারাম মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন-
মাপে ফাঁকি, তিন ইটভাটাকে জরিমানা
ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করার এ কেমন শাস্তি!