শুক্রবার (৩০ মার্চ) ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত হয়। এসময় প্রচুর পরিমাণে শিলাও পড়ে। শুক্রবার জেলা সদরে ৩৭ মিলিমিটার শিলাবৃষ্টি রেকর্ড করে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। তবে কৃষি বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেনি।
জেলার সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি শিলাবৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার হাড়িভাসা, হাফিজাবাদ, কামাত কাজল দিঘী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার হাইব্রিড টমেটো ও তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
টমেটো চাষি আমিনার রহমান জানান, তিন একর টমেটো ক্ষেতের গাছগুলো ভেঙে গেছে। ভুট্টা গাছের পাতা ছিড়ে গেছে। এসব ক্ষেতের ফলন আর ভালো হবে না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামছুল হক ফল ও ফসলের ক্ষতি হওয়ার কথা জানালেও ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করছেন।
এদিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গোটা জেলা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুতের অভাবে মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেকের বাসায় রান্নাও হয়নি। পানির অভাবে অনেকেই কাজ করতে পারছেন না।
আরও পড়ুন:
শিলার আঘাতে ঘরের চাল ফুটো, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
‘এমন শিলাবৃষ্টি জীবনেও দেখিনি’