স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে বিরল উপজেলার সাবইল গ্রামের আহসান আলীর ছেলে ইমরানের সঙ্গে বিরল উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শালবনে বেড়াতে যায় সপ্তম শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রী। ইমরানের সঙ্গে শালবনে ঘোরাঘুরির সময় ধর্মপুর নয়াপাড়ার সফির মোহাম্মদের ছেলে বাবুল (৪০) ওই স্কুলছাত্রীকে আটক করে। এ সময় তার বন্ধু ইমরানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা কেড়ে নেয়। ইমরান প্রতিবাদ করতে চাইলে তাকে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে ফাঁসিয়ে স্থানীয় লোকজন দিয়ে গণপিটুনির ভয় দেখায় এবং জীবনে বাঁচাতে চাইলে পালিয়ে যেতে বলে। এ সময় ইমরান শালবন থেকে পালিয়ে পাশের ধানক্ষেতে এসে স্থানীয় যুবক হেলাল, সাগর, রাসেল, গোলাপ, মোমিনুল, সানোয়ারকে সঙ্গে ফের তার বান্ধবীকে শালবনে খুঁজতে যায়। সেখানে গিয়ে তাকে না পেয়ে শালবন সংলগ্ন ভুট্টাক্ষেতে বাবুলকে স্কুলছাত্রীসহ আটক করে। স্কুলছাত্রী অভিযোগ করে, বাবুল তাকে ধর্ষণ করেছে। স্থানীয় জনতা ভিকটিমসহ বাবুলকে ধরে ধর্মপুর ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে তুলে দেয়। সন্ধ্যায় তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান সাবুল চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
বিরল থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মজিদ জানান, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে বাবুলকে আটক করা হয়েছে । এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শালবনে বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী।
আরও পড়ুন- বীরগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, আটক ১