নিহতের ভাই নুর হোসেন খান জানান, আনোয়ার ও তার স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগেই থাকেতো। সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর স্ত্রীর ছোড়া ইটের আঘাতে স্বামী আনোয়ার গুরুতর আহত হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা আনোয়ারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কোতোয়ালি থানার এসআই শামীম জানান, আনোয়ারের মৃত্যুর পরপরই স্ত্রী লিজা বেগম ও শ্বশুর শাহজাহান খান পালিয়েছেন। মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের মেয়ে নগরের আলেকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী নাইমা খাতুন জানায়, বুধবার সকালে তার ছোট ভাই আলেকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র নাইম বাবার (আনোয়ার হোসেন) কাছে নাস্তা খাওয়ার জন্য টাকা চায়। এরপর নাইমা খাতুনও খাতা কেনার জন্য বাবার কাছে টাকা চায়। এ সময় টাকা নেই জানিয়ে বাবা তাদের বকা দেন এবং নাইমকে বেদম মারধর করেন।
এ নিয়ে বাবা ও মা লিজা বেগমের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে নানা শাহজাহান খানকে ডাকা হলে তিনি কালিবাড়ি রোড থেকে আমাদের বাসায় আসেন। নানা বাসায় এলে বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেও মারতে যান। এ সময় হাতের কাছে থাকা একটি ইট মা ছুড়ে মারলে বাবার মাথায় লেগে তিনি আহত হন। পরে তাকে মা ও নানাসহ স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে যান।