বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম ৩৮টি ভারতীয় পণ্যের মোবাইল স্ক্যানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা যায়, চিঠিতে উল্লেখিত পণ্যগুলোর চালানে বেশি অনিয়ম হয়। এছাড়াও এসব পণ্যে মিথ্যা ঘোষণায় শুল্ককর ফাঁকির ঘটনাও ঘটে। এসব পণ্যে মোবাইল স্ক্যানিং চালুর ফলে পণ্য পাচার রোধ হবে।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘বেশির ভাগ শিল্প কারখানার জরুরি কাঁচামাল এ বন্দর দিয়ে আমদানি হয়। ব্যবসায়ীরাও চান এসব পণ্য আমদানিতে স্ক্যানিং চালু হোক। কিন্তু আমাদের আশঙ্কা, এ নিয়মের ফলে বাণিজ্যে ধীরগতি নামতে পারে।’