প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনের সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচির প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ শাবি শাখা। এসময় মানববন্ধন কর্মসূচিতে শাবি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেয় এবং বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের শাবি শাখা কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরাণ হলে নিয়ে আটকে রাখে।
‘ন্যায্য দাবিতে’ আন্দোলন করছেন উল্লেখ করে শাবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক নোমান খন্দকার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের নেতাকর্মীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় পরিষদের দেওয়া কর্মসূচি পালন করতে সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে একত্র হতে থাকি। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ আমাদের অবস্থান নিতে বাধা দেয় এবং আহ্বায়ক নাসির উদ্দিনকে হলে নিয়ে আটকে রাখে।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তাদের কোনও কর্মসূচিতে ছাত্রলীগ বাধা দেয়নি। বরং শিক্ষার্থীরা না আসায় কর্মসূচি পণ্ড হয়েছে।’ কোটা আন্দোলনের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিনকে উঠিয়ে নিয়ে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘সে শাহপরাণ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাকে আটকে রাখা হয়নি।’
প্রসঙ্গত, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ছয় নেতাসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কোটা আন্দোলনের নেতারা শনিবারের হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেন। তবে ছাত্রলীগের দাবি, আন্দোলনকারীদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন-
রাবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর দফায় দফায় হামলা (ভিডিও)