বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. রাজু এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ এর তফসিল অনুযায়ী বণ্যপ্রাণী আটক, তাড়ানো বা কোনোভাবে বিরক্ত করা দণ্ডনীয় অপরাধ। পলাতক জসিম এসব পাখি বিভিন্ন এলাকা থেকে ফাঁদ দিয়ে ধরে এনে ব্যবসা করছে। জসিমের বাড়ি থেকে খাঁচাবন্দি পাখিগুলোর মধ্যে রয়েছে ময়না ১টি, কালিম ৩টি ও ছয়টি বাচ্চা, টিয়া ১টি, হাঁস প্রজাতির পাখি ৫টি, বক ২টি, ডাহুক ৬টি, ঘুঘু ১টি, মুনিয়া ২টি ও শালিক ১টি। জব্দকৃত পাখিগুলো বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।’