গত সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলাম। সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শেখ ফরিদ হোসেন তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চান। সে সময় আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বগুড়া পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অভি ওই কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে মারপিট ও ছুরিকাঘাতের কথা স্বীকার করেছে। রিমান্ডের সময় অভি দাবি করে– ওই ছাত্রীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি সে তাকে অবজ্ঞা করে অন্য ছেলের সঙ্গে প্রেম করছে। এতে অভি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে তুলে নিয়ে মারপিট ও ছুরিকাঘাত করে। মঙ্গলবার তার রিমান্ড শেষ হয়। বুধবার আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার চেষ্টা করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শেখ ফরিদ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে অভি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তবে মামলার স্বার্থে এ মুহূর্তে তা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা জানান, অভি বগুড়া শহর যুবলীগের সভাপতি মাহফুজুল আলম জয়ের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান। বাবা ও পরিবারের অতি প্রশ্রয়েই সে বখাটে হয়ে যায়। গত ৩০ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে ওই ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত করে অভি। এর পর ওই ছাত্রীর বাবা শনিবার বিকালে সদর থানায় অভি ও তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। রবিবার রাতে অভির মা থানায় গিয়ে ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।