অসিম কুমার বিশ্বাস জানান, জেলার সদর উপজেলায় ৭৭টি পুজা মণ্ডপে, পৌরসভায় ২৭টি, ঘিওর উপজেলায় ৬৩টি, দৌলতপুর উজেলায় ৪৮টি পুজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা হতে যাচ্ছে। এছাড়া সিংগাইর পৌরসভায় ১১টি ও সিংগাইর উপজেলায় ৬১টি পুজা মণ্ডপে পুজা অনুষ্টিত হবে। অপরদিকে সাটুরিয়া উপজেলায় ৬৪টি পুজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা হতে যাচ্ছে। হরিরামপুর উপজেলায় ৬৩টি আর শিবালয় উপজেলায় সর্বাধিক ৮৭টি পুজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে। গত বছর এই জেলায় ৪৭০টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হয়েছিল।
পুজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা বিষয়ে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) এএসপি আব্দুল হামিদ সিদ্দিকী বলেন, ‘অন্যান্য বারের চেয়ে এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে বেশি সংখ্যক পুলিশ ও আনসার মোতায়েন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দফতরে জেলার পুজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে গতবারের চেয়ে ১ হাজার অতিরিক্ত আনসার সদস্য চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১০০ জন বেশি চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ সাপেক্ষে মণ্ডপভেদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।’
এদিকে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, জেলার পুজা মণ্ডপের সংখ্যা বাড়ায় বরাদ্দের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার প্রায় প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ হওয়ার কথা রয়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসিম কুমার বিশ্বাস জানান, এখনও পূজা মণ্ডপগুলোর প্রতিমার সাজগোজ সম্পন্ন হয়নি। দু’চার দিনের মধ্যে প্রতিমার গায়ে রং ও যাবতীয় সাজসজ্জার কাজ শুরু হবে।