খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। এর ভিত্তিতে সংলাপে আলোচনা হতে হবে। সংলাপে খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে আলোচনার কোনও সুযোগ নেই।
বুধবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে কেরানীগঞ্জের নয়াবাজার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের নতুন ভবন উদ্ধোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ড. কামালের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট সংলাপের জন্য যে প্রস্তাব দিয়েছে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা উদারতা দেখিয়ে সে প্রস্তাবে রাজি হয়ে আলোচনার জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের ওপর নির্ভরশীল।’
তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কিনা, তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন কিনা, এসব আদালতের বিষয়। এ নিয়ে সরকার বা আওয়ামী লীগের কোনও কিছু করার নাই।’
তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সংসদ বহাল থাকবে। একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে নির্বাচন কমিশনকে। সরকার শুধু রুটিন ওয়ার্ক পালন করবে।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। নির্বাচন অবাধ ও আনন্দঘন পরিবেশেই হবে। এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে। ২০১৪ সালে খালেদা জিয়াকে আলোচনার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া সেই প্রস্তাবে রাজি হননি।’
তিনি বলেন, ‘ঐক্যজোট আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সাধারণ মানুষ মনে করে, তারা যতই সংলাপের কথা বলুক, তাদের একটি দুরভিসন্ধি আছে। সংলাপে তারা এমন কোনও প্রস্তাব দেবে না যাতে আলোচনা ব্যর্থ হয়। আমি আশা করি, সংলাপ ফলপ্রসু হবে এবং নির্বাচনেও সবদল অংশ নেবে।’
এর আগে সকালে কালিন্দি পারজোয়ার স্কুলের নতুন ভবন, সরকারি ইস্পাহানি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের নতুন ভবন, শাক্তা দাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনসহ আরও ৮টি বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন ও চারটি নতুন ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মন্ত্রী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন– কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহে এলিদ মাইনুল আমীন, উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহজাহান আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিলুফার জাহান, শফিউল আজম খান বারকু, ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম, আইকে শাহীন, আলতাফ হোসেন বিপ্লব ও আখের হোসেন আখি প্রমুখ।