তিনি বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার)সংলাপ হচ্ছে। আমি আশা করি, সংলাপ ফলপ্রসূ হবে। সেখানে খোলামন নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বিএনপিসহ ঐক্যজোটের নেতারা সেখানে যাবেন কিন্তু তারা নৈশভোজ খাবেন না– এখানেও তাদের একটি দুরভিসন্ধি কাজ করছে। এ সংলাপে সংবিধানের বাইরে কোনও দাবি পূরণ করা সম্ভব নয়।’
মন্ত্রী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতা বদলের একমাত্র পথ নির্বাচন। সেই নির্বাচন সামনে। সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রতিনিধি বাছাই করবে। বিএনপি জানে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তাই তারা নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে নিয়েই নির্বাচন করতে চান। যদি কেউ ষড়যন্ত্র করে, আগুন সন্ত্রাস করে তার পরিণতি ভয়ানক হবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। মানুষ আর অশান্তি চায় না। দেশে একসময় বিচার না হওয়ার সংস্কৃতি চালু ছিল। কিন্তু আমরা সব হত্যার বিচার করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা এখন গর্বিত জাতি। দেশের অথনৈতিক অবস্থা এখন অনেক মজবুত। এখন নিজ অর্থে বাজেট পেশ করি আমরা। লক্ষ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়া ও এরশাদ ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করেছেন। তারা ইসলামের জন্য কিছুই করেননি। বঙ্গবন্ধুই প্রথমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিন পরে ১৬ হাজার স্কুলকে সরকারিকরণ করা হয়েছে। বছরের প্রথমদিনেই ৩৬ কোটি বই বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে যা যা করা দরকার তাই করছেন।’
ঢাকা-২ নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটি, শাক্তা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা সাংস্কৃতিক লীগের সহসভাপতি মো. ইব্রাহিম ব্যাপারী।