স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, তারাকান্দা থেকে ধোবাউড়া পর্যন্ত ৩৮ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ২৬ কিলোমিটার সড়কের বেশিরভাগই ভাঙাচোরা। এর মধ্যে বওলার সুতারপাড়, বারইপুখরিয়া, ভুষাগঞ্জ, হরিয়াগাই, টিউকান্দা ও কেন্দুয়া বাজারের ১৭ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা একেবারেই বেহাল। বেহালদশার সড়কজুড়ে রয়েছে ছোটবড় অসংখ্য খানাখন্দ। বর্ষায় এসব খানখন্দে পানি জমে পরিণত হয়েছিল মরণডোবায়। সড়কের বওলার সুতারপাড় এলাকার প্রায় ৫০০ মিটার এমনই বেহাল যে গত বর্ষায় প্রতিদিনই যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক বিকল হয়েছে, ঘটেছে নানা দুর্ঘটনা। এসময় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর ভোগান্তির সীমা ছিল না। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকাবাসীকে এরকম দুর্ভোগ মেনে নিতে হচ্ছে। অথচ তারাকান্দা-ধোবাউড়া সড়কটি তারাকান্দা ও ধোবাউড়া উপজেলাসহ ফুলপুর উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এই সড়কটি ব্যবহার করে আসছে।
বওলা বাজারের ব্যবসায়ী আমজাদ আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সড়কের এই বেহাল দশার কারণে মালামাল পরিবহনের ব্যয় বেড়ে গেছে। এক বস্তা কাঁচামাল পরিবহনের ভাড়া যেখানে ৮০ টাকা ছিল সেটি এখন বেড়ে ১৪০ টাকায় উঠেছে। কেবল তাই নয়, ধোবাউড়া থেকে ময়মনসিংহ যেতে এক ঘণ্টার জায়গায় সময় লাগছে এখন তিন ঘণ্টা।
ব্যবসায়ী মালেক জানান, সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে রোগীরা। প্রসব সমস্যার কোনও রোগীকে রাতে যখন কোনও হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ছে তখন ভোগান্তির সীমা থাকছে না। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাস্তার ওপর প্রসবের নজির রয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
এলজিইডির স্থানীয় নির্বাহী প্রকৌশলী ইসমত কিবরিয়া বাংলা ট্রিবিউিনকে জানান, কাজে গাফিলতির কারণে ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে।