জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ জানান, ‘গোপালগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ মনোনয়ন নিয়ে এলাকায় আসলেও তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি। তাই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে আমরা কাজ করতে পারছি না।’
জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম জানান, গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে বিএনপির তৃণমূল যে মনোনয়ন চেয়েছিল কেন্দ্র তেমনটি করেনি। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই বিএনপির সঠিক মনোনয়ন হয়নি। তাছাড়া গোপালগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী এফ.ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর অসুস্থ হয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। গোপালগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বাসা থেকেই বের হন না। নির্বাচনি প্রচারণা করতে হলে তো বাইরে বের হতে হবে, জনগণের কাছে যেতে হবে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানী দীর্ঘদিন ধরে জেলে রয়েছেন। এসব কারণে বিএনপিকে মাঠে দেখা যায় না।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ জানান, ‘আমরা ইতোমধ্যে প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছি।’
আপনাদের পোস্টার-লিফলেট দেখা যায় না কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খুব শ্রীঘ্রই দেখবেন। আমরা জোরেশোরেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবো। তখন সাংবাদিকদেরকে ডেকে আমরা জানাবো।