গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির উদ্দিন ও স্থানীয়রা জানান, বরিশালের হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শরীফপুরের সোন্ডা এলাকার নিজ বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। হুমায়ুন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় এবং তার স্ত্রী মাতৃছায়া কিন্ডার গার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তাদের দুই মেয়ের মধ্যে তাফান্নুম তাহি ছোট। রবিবার বেলা ১১টার দিকে শাওয়ারের পানিতে গোসল করার জন্য পাশেই নানা আমির হোসেনের বাড়ির উদ্দেশে তাফান্নুম তাহি ঘর থেকে বের হয়। দুপুর পর্যন্ত সে বাসায় ফিরে না আসায় স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাতে তারা বাড়ির অদূরে একটি জমির কাশবনে তাফান্নুমের লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে কৌশলে ওই কাশবনে নিয়ে ধর্ষণ করে দুর্বৃত্ত কোনও ব্যক্তি। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে শিশুটিকে ঘটনাস্থলেই হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় সে। ইট দিয়ে থেঁতলানোর কারণে শিশুটির মাথার মগজ বেরিয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় ভোররাত পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’