কাহালুতে মাদ্রাসায় ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে চলছে পাঠদান

কাহালুতে মাদ্রাসায় ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে চলছে পাঠদানবগুড়ার কাহালুর তিনদীঘি শাহ্ সুলতান ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ঝুঁকিপূর্ণ মাটির কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। যে কোনও সময় মাটির কক্ষের দেয়াল ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। ভুক্তভোগীরা মাদ্রাসার কক্ষগুলো পাকা করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে ৫টি মাটির কক্ষ তৈরি করে তিনদীঘি শাহ্ সুলতান ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এখানে ১১৫ জন ছাত্রছাত্রী ও চারজন শিক্ষক রয়েছেন। দীর্ঘ ৪৪ বছরে মাদ্রাসায় পাকা কক্ষ নির্মাণ করা হয়নি। শ্রেণিকক্ষের অধিকাংশ দেয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ধস ঠেকাতে বাঁশের খুঁটি দেওয়া হয়েছে। যে কোনও সময় মাটির দেয়াল ধসে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফরিন ও জোবায়েত হাসান, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আল-আমিন, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আছিয়া খাতুন ও তিথিমনিসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, এরকম ঝুঁকিপূর্ণ মাটির কক্ষে ক্লাস করতে তাদের ভয় লাগে। রফিকুল ইসলাম, শাহেদ আলী, আবদুস সালাম প্রমুখ অভিভাবক জানান, শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে ফাটল ধরায় সন্তানদের মাদ্রাসায় পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকেন তারা। অবিলম্বে মাটির কক্ষ ভেঙে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণে তারা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছেদ জানান, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এরপরও পাকা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’

কাহালু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওই মাদ্রাসার মাটির কক্ষগুলো ভেঙে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ তবে কবে নাগাদ এই উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে সেব্যাপারে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।