অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম (১৫) উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পুরান লাউর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও ভিকটিমের বাবা ও মা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটি বাড়ির পাশে মাঠে খেলা করছিল। এসময় শিশুটিকে বরই দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে দুই বন্ধুর সহযোগিতায় ধর্ষণ করে অভিযুক্ত কিশোর সাইফুল ইসলাম। শিশুটির এক খেলার সঙ্গী বাড়িতে এসে ঘটনাটি তার স্বজনদের জানায়। পরে স্বজনরা শিশুটিকে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। শিশুটি বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের ২ নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নির্যাতনের শিকার শিশুর মা জানান, তার মেয়ের এক বান্ধবী জঙ্গলে ধর্ষণের ঘটনা দেখতে পেয়ে বাড়িতে এসে খবর দিলে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত আবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে। শিশুটির বাবা জানান, সাইফুল ইসলাম এলাকায় চিহ্নিত বখাটে। সন্তানের ওপর নির্যাতনের ঘটনার তিনি বিচার দাবি করেন।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তবরত ডাক্তার কান্তা চক্রবর্তী জানান, ‘বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে। হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।’
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নন্দন কান্তি ধর বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করি ও শিশুটি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠাই।’