সেন্টমার্টিন রওনা হয়েও ফিরে আসলেন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক

 

সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়েও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফিরে আসতে বাধ্য হয় পর্যটকবাহী জাহাজকক্সবাজারের টেকনাফে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়েও সেখানে পৌঁছতে পারলেন না সাড়ে তিন হাজার পর্যটক। হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কারণে নাফনদের মাঝপথ থেকে পর্যটকবাহী ৭টি জাহাজ ঘাটে ফিরে আসে। এর আগে সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে টেকনাফ দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে পযটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে কিছুক্ষণ পরেই সেগুলো ফিরে আসতে বাধ্য হয়।

















সরেজমিনে দেখা যায়, সোমবার সকালে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে চলাচলকারী এমভি গ্রিনলাইন-১, এমভি আটলান্টিক ক্রুজ, এমভি ফারহান, বে-ক্রুজ, কেয়ারি ক্রুজ, কেয়ারি সিন্দাবাদ, এলসিটি কাজল পর্যটকদের নিয়ে দমদমিয়া জেটি ঘাট থেকে ছেড়ে নাফনদের মাঝপথে আটকা পড়ে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাহাজগুলো ঘণ্টাখানেক আটকে থাকার পর টেকনাফ ঘাটে ফিরে আসে। তবে জাহাজগুলোতে অতিরিক্তি যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের পরির্দশক (পরিবহন) মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকালে পর্যটকটদের নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে জাহাজগুলো ছাড়ে। এরপর হঠাৎ করে আবহাওয়া বৈরী হতে শুরু করায় যাত্রীদের নিয়ে জাহাজগুলো নাফনদের মাঝপথ থেকে নিরাপদে ফেরত আনা হয়েছে।’সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়েও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফিরে আসতে বাধ্য হয় পর্যটকবাহী জাহাজ
পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, ‘পর্যটকদের নিয়ে আমাদের দুটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। হঠাৎ করে প্রচণ্ড বাতাস শুরু হলে যাত্রীদের নিয়ে নিরাপদে ফেরত আসা হয়। তবে যাত্রীদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।’ জাহাজ দুটিতে ধারণক্ষমতা অতিরিক্ত যাত্রী ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, ‘ছেলেমেয়েদের নিয়ে সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য খুব সকালে টেকনাফে পৌঁছে জাহাজে করে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা করি। কিছু দূর যাওয়ার পর নাফনদের মাঝপথে আটকা পড়ি। পরে জানতে পারি বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ থেকে কোনও জাহাজ সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না। দ্বীপে যেতে না পেয়ে আবার কক্সবাজার ফিরে যেতে হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক। ওই জাহাজে তিন শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য এসেছিলেন।’
টেকনাফ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে কোনও জাহাজ যেতে দেওয়া হচ্ছে না এবং পর্যটকদের টিকিটের টাকা ফেরত দিতে জাহাজ কতৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’