নিহত আবদুর রউফ মহম্মদপুর উপজেলার হাজী মোসলেম উদ্দীন টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড বি.এম কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া সম্মিলনি ইসলামী আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
নিহতের ভাই আবদুল ওয়াহাব মিলনের অভিযোগ, সম্প্রতি মোহম্মদপুর উপজেলার হাজী মোসলেম উদ্দীন টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড বি.এম কলেজের গাছ জোরপুর্বক কেটে নেন মোহম্মদপুরের বালিদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পান্নু মিয়া। এ ঘটনায় ওই কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসাবে কলেজের পক্ষ থেকে আবদুর রউফ আদালতে চেয়ারম্যান পান্নু মিয়ার নামে মামলা করেন। এতে চেয়ারম্যান পান্নু মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) রাতে মহম্মদপুরের বড়রিয়া এলাকায় আবদুর রউফের ওপর দলবল নিয়ে হামলা চালান। এসময় আব্দুর রউফ গুরুতর আহত হলে তাকে মাগুরার ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
আবদুল ওয়াহাব মিলন বলেন, ‘অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমার ভাইকে এভাবে প্রাণ দিতে হলো। হামলায় আহত হবার কারণেই তার মুত্যু হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আমরা এ বিষয়ে হত্যা মামলা দায়ের করবো।’
এদিকে নিহত অধ্যক্ষ আবদুর রউফের মৃত্যুর বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মশিউর রহমান বলেন, ‘আহত অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার বিকাল চারটার দিকে হঠাৎ করেই তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান’।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বালিদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পান্নু মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ২১ মার্চ ঘটনার সময় মোহম্মদপুর উপজেলা নির্বাচনে এলাকায় নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত ছিলাম। অযথা এ ঘটনায় আমাকে জড়ানো হচ্ছে। এটি একটি চক্রান্ত।
মোহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।