শুক্রবার রাতে নিহতের স্ত্রী সারা রহমান বাদী হয়ে খুলনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় নিহতের ভাই এসএম মেজবাহ হোসেন বুরুজের স্ত্রী সাবিহা খাতুন শিপুসহ পাঁচ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত বালার বড় ভাই আব্দুর রশীদ বলেন, মামলায় ছোট ভাই এসএম মেজবাহ হোসেন বুরুজের স্ত্রী সাবিহা খাতুন শিপু, সজিব হাসান সাথী, মোস্তফা হোসেন সোনা, ফয়সাল ও মাসুদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক কারণে মিজানুর রহমান বালাকে হত্যা করা হয়েছে। এর আগেও ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর তার ওপর হামলা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বালাকে তার ভাইয়ের স্ত্রী সাবিহা খাতুন হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
নিহতের স্ত্রী সারা রহমান অভিযোগ করেন, ‘আমার দেবর এসএম মেজবাহ হোসেন বুরুজের মৃত্যুর পর আমার স্বামীই ঠিকাদারি ও ব্যবসা পরিচালনা করতেন। এ নিয়ে বুরুজের স্ত্রী সাবিহা খাতুনের সঙ্গে আমাদের বিরোধ দেখা দেয়। এরই জের ধরে সাবিহা খাতুন সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমার স্বামীকে হত্যা করিয়েছে। সাবিহা মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী।’
উল্লেখ্য, ২৭ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে রিকশায় করে মিজানুর রহমান বালা বাগমারায় নিজের বাড়ির সামনে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় আশেপাশের লোকজন তার পেটে ছুরিকাঘাতের ক্ষত দেখতে পান। দ্রুত তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার দুই হাতের বাহুতে ও পেটের বাঁ পাশে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।