নিহত সাইফুল গত শনিবার রাতে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন খালপাড় এলাকায় গুলিতে নিহত লোকমান হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন। সাইফুল এলাকায় নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয় দিতেন।
ওসি প্রণব চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লোকমান হত্যা মামলায় সাইফুল ও এজাহারভুক্ত আরেক আসামি জিয়া উদ্দিন বাবলুকে সোমবার ফটিকছড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল লোকমানকে গুলি করার বিষয়টি স্বীকার করে। এসময় সাইফুল হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি কোথায় আছে সেটি জানায়। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাকলিয়া থানা পুলিশের একটি টিম কল্পলোক এলাকায় সাইফুলকে নিয়ে ওই অস্ত্রটি উদ্ধার করতে যায়। পুলিশ সদস্যরা কল্পলোক আবাসিক এলাকার ৫ নম্বর ব্রিজের কাছে খালপাড়ে গেলে সাইফুলকে ছাড়িয়ে নিতে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে সেখানে সাইফুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এর আগে শনিবার রাতে খালপাড় এলাকায় নারী সংক্রান্ত একটি বিষয়কে নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লোকমান হোসেন। এ ঘটনায় পরদিন লোকমানের মা রোকেয়া বেগম সাইফুলকে প্রধান আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ৮ জনকে এজাহার নামীয় আসামি করা হয়।