গত রবিবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সুজন মিয়া গোসলের জন্য তার স্ত্রীকে গরম পানি করতে বলে। গরম পানি হলে সুজন লতাকে গামছা আনতে বলে। গামছায় ময়লা থাকায় স্ত্রীকে মারধর করে সুজন। একপর্যায়ে গোসলের গরম পানি লতার শরীরে ঢেলে দেয়। এতে তার পিঠ ও দুই হাত ঝলসে যায়। খবর পেয়ে লতার বাবা সন্ধ্যায় তার মেয়েকে সুজনদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। অভিযুক্ত সুজনের বিরুদ্ধে গৃহবধূর বাবা বিশা খাঁ মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতর লতা আক্তার জানান, প্রায় সময় কোনও না কোনও কিছু অজুহাতে স্বামী তাকে মারধর করে।
লতা দাবি করেন, হত্যার উদ্দেশে স্বামী তার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়।
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) লুৎফর রহমান জানান, ওই গৃহবধূর ৩০ ভাগ শরীর ঝলসে গেছে। বর্তমানে শঙ্কামুক্ত থাকলেও এ ধরনের রোগীকে ৭২ ঘণ্টা অভজারভেশনে রাখা হয়।
আরও পড়ুন- গরম পানি ঢেলে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর শরীর ঝলসে দিলো স্বামী