‘ফণী’র প্রভাব

বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে পটুয়াখালীতে ২০ গ্রাম প্লাবিত

বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে পটুয়াখালীতে ২০ গ্রাম প্লাবিতঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে নদী ও সাগরের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পটুয়াখালীতে বেশ কিছু পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে পড়ে তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। কলাপাড়া ও মির্জাগঞ্জ দুটি উপজেলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পানি ঢুকে পড়েছে এসব গ্রামের বাড়িঘর ও ফসলি জমিতে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৪ নং দেউলী সুবিধখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় সকাল ১১টার দিকে জোয়ারের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে চারটি গ্রাম প্লাবিত হয়। গ্রামগুলো হল মেহেন্দিয়াবাদ, চরখালী, গোলখালী ও রানীপুর গ্রাম। এতে মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি ঢুকে পরে। প্রায় আড়াইহাজার মানুষ বাস করেন ওই এলাকায়।

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শওকত হোসেন বিশ্বাস জানান, স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জোয়ারে নদীর পানি বেড়ে কলাপাড়া উপজেলার লালুয়ার ১৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মুন্সিপাড়া থেকে পশরবুনিয়া ৪-৫ কিলোমিটার এলাকায় বেড়িবাঁধের অবস্থা খুবই খারাপ। ওই বাঁধ দিয়ে পানি উপচে চারিপারা, মনজুপারা, মুন্সিপারা, নাচনাপাড়া, চৌধুরিপাড়া, নয়াকাটা, ভঞ্জুপাড়া, ১ নং হাওলা, কলাউপাড়া, বানাতিপাড়া, পশরবুনিয়া, চান্দুপাড়া, চর চান্দুপাড়া, ছোট ১০ নং, ছোট ৫ নং ও নাওয়াপাড়া গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ‘বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পেয়েছি। কয়েকটি গ্রাম পরিদর্শন করছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’