জানা গেছে, দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে শিক্ষক আক্কাস আলীর বিচার হওয়ার পর থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এর আগে, দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় টানা ১২ দিন আন্দোলনের মুখে গত ১৮ এপ্রিল অভিযুক্ত শিক্ষক আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাকে ৮ সেমিস্টারের জন্য ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় প্রধান ও একাডেমিক কাজ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় এক মাস ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা নিচ্ছেন না সিএসই বিভাগের শিক্ষকরা।
দুই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ও রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবদুর রহিম খান জানান, যেসব শিক্ষার্থী শিক্ষকদের নিয়ে অশালীন বক্তব্য ফেসবুকে দিয়ে শিক্ষকদের সম্মানহানি করেছে সেইসব অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এবং পাঁচজনকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাই শিক্ষকদের ক্লাস নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ জানান, ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। যাতে ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়া হয় সে বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হবে।