পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ডাকাত গুলিবিদ্ধ, গ্রেফতার ৬

বগুড়াশিবগঞ্জে ডিবি পুলিশের সঙ্গে ডাকাতদের ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়েছে। এতে দু’জন গুলিবিদ্ধসহ ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) মধ্য রাতে উপজেলার আমতলী ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ, দুটি চাপাতি ও দুটি গ্রিল কাটার যন্ত্র পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের এসআই নুরুজ্জামান সরদার বাদি হয়ে শিবগঞ্জ থানায় সরকারি কাজে বাধা, ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা করেছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- বগুড়ার কাহালু উপজেলার ভুবইন পশ্চিমপাড়ার আবির উদ্দিনের ছেলে রমজান আলী (৪৫) ও তার ভাই আব্দুল করিম (৩৮), শিবগঞ্জ উপজেলার সাদুল্লাপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৩৮), কাহালু উপজেলার সামছু মিয়ার ছেলে মুক্তার হোসেন (৩০), সদরের নামুজা পশ্চিমপাড়ার শাহজাহানের ছেলে ইউসুফ আলী (৩৬) ও গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার মকসেদ আলীর ছেলে রায়হান কবির (৩৫)।
বগুড়া ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার আমতলী ব্রিজের কাছে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কে কয়েকজন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। গোপনে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশ শর্টগান দিয়ে ১২ রাউন্ড গুলি করে। এরপর সেখান থেকে ওই ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে রমজান আলী ও আব্দুর রাজ্জাক পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, দুই রাউন্ড কার্তুজ, দুটি চাপাতি ও গ্রিল কাটার দুটি যন্ত্র পাওয়া গেছে। গুলিবিদ্ধ দুই ডাকাতকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আসলাম আলী জানান, গ্রেফতার সকলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বগুড়া, নওগাঁ ও দিনাজপুর থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। রমজানের বিরুদ্ধে ১৪টি, আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে আটটি, করিমের বিরুদ্ধে ছয়টি, মুক্তারের বিরুদ্ধে চারটি ও ইউসুফের বিরুদ্ধে দুটি মামলা আছে। শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ডিবি পুলিশ বাদি হয়ে গ্রেফতার ডাকাতদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক ধারায় মামলা করেছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।