তিনি জানান, ঈদ উপলক্ষে নারী পুলিশ সদস্যসহ দশজন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন নিরাপত্তায়। এখানে পকেটমার হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ ছিল ব্যবসায়ীদের। এজন্য হাট এলাকা ১৬টি সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগামীতে সিসি ক্যামেরা আরও বাড়ানো হবে।’
এখানকার সেতু গার্মেন্টসের মালিক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো হাওয়ায় প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখানে কাপড় কিনতে আসেন।’
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানগুলোয় বেচাকেনা চলে। সপ্তাহের বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার এই কাপড়ের হাট বসে থাকে। এই হাটে প্রায় দুই হাজারটি দোকান বসে। পোড়াদহ কাপড়ের হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এসে কেনাকাটা করে নিয়ে যায়।
ঈদ উপলক্ষে এখানে গভীর রাত পর্যন্ত এখানে চলছে বেচাকেনা। শুধু পাইকারি নয়, এখানে খুচরাও বিক্রি করা হয়ে থাকে। কুষ্টিয়াসহ পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষরাও এখানে কেনাকাটা করতে আসেন পছন্দের পোশাক। দামেও সাশ্রয়ী হাওয়ায় সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা করতে চলে আসেন পোড়াদহে। পাইকারি বাজার হওয়ায় আশপাশের জেলার ব্যবসায়ীরাও এখানে আসেন পোশাক কিনতে।
এখানে পাওয়া যায়– গজ-কাপড়, থান-কাপড়, পাঞ্জাবির কাপড়, থ্রিপিস, শাড়ি, সুতির কাপড়, জাকাতের কাপড়, মশারি, কোর্ট, প্যান্ট ও শার্টের পিস, লুঙ্গি, রেডিমেট পোশাক। ঈদ যতোই ঘনিয়ে আসছে কাপড়ের হাটে ততোই বেচাকেনা বাড়ছে।
পোড়াদহ কাপড়হাট পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি মো.মুনি খাঁ বলেন, ‘পোড়াদহ ঈদের বাজার জমে উঠেছে। এবার বিক্রিও বেশ ভালো। আশা করি, ঈদের শেষ কয়েক দিন বিক্রি আরও বাড়বে।’
স্থানীয় পোড়াদহ ভরসা বস্ত্রালয়ের মালিক মাহমুদা খানম রত্না বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মানুষের ভিড় একটু বেশি। আর বেচা-বিক্রিও হচ্ছে ভালো। এবার ঢাকায় মসলিন, মিরপুরের কাতান, গাউনের অনেক চাহিদা। এখানে গাউন আড়াই হাজার টাকা থেকে শুরু করে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত এবং ঢাকাই মসলিন শাড়ি বিক্রি হচ্ছে চার হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও মিরপুরী কাতান শাড়ি সাত হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’