গৃহবধূ সাজিনুরের স্বজনদের অভিযোগ, বুধবার (১২ জুন) রাতে সাবেক স্বামী বেল্লাল হোসেন ও তার লোকজন সাজিনুরের ঘরে আগুন দেয়। সৎ বাবার দেওয়া আগুনে পুড়ে মারা যায় ১০ বছর বয়সী মেয়ে কারিমা। আগুনে গুরুতর দগ্ধ হন সাজিনুর। পরে তাকে উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
সাজিনুরের বোন ফাতেমা বেগম জানান, চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিলেও অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার আর্থিক সঙ্গতি তাদের ছিল না। পরে সাংবাদিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাস তাৎক্ষণিক ১২ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন। বিভাগীয় কমিশনারের আর্থিক সহায়তা পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে সাজিনুরকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।
শের-ই বাংলা মেডিক্যালের পরিচালক ডা. মো. বাকীর হোসেন জানান, গৃহবধূ সাজিনুরের শরীরের ৪৫ ভাগ পুড়ে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এরআগে, বুধবার রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন সাজিনুরের সাবেক স্বামী বেল্লাল হোসেন। এতে আগুনে পুড়ে তার সৎ মেয়ে কারিমা (১০) ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং দগ্ধ হন স্ত্রী সাজিনুর বেগম (৩০)। এ ঘটনার পর গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বেল্লাল।
আরও পড়ুন:
বরগুনায় মেয়েকে ‘পুড়িয়ে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা’