মঙ্গলবার দুপুরে সেই কালভাট পরিদর্শন শেষে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘শর্শদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে এক সমাজসেবী ব্যক্তির উদ্যোগে এই ইউ ড্রেনটি (ওপরের অংশ ঢাকা) নির্মাণ করা হয়। এটি ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ বা সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দের কোনও কাজ নয়। ড্রেনটি ভাঙা দেখে ওই ব্যক্তি তার নিজ অর্থায়নে সঠিক নিয়মে রড, সিমেন্ট, কংক্রিট, বালু ব্যবহার করে ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণ করিয়েছেন। আর এই সব ছোটখাটো কাজগুলোর জন্য এই ধরনের বাঁশ বা কলাগাছের সেন্টারিং ব্যবহার করা হয়। ড্রেন জমাট বেঁধে গেলে তারপর নিচে বাঁশের সেন্টারিং খুলে ফেলা হবে। অহেতুক কিছু অসাধু ব্যক্তি এই ইউ ড্রেন নিয়ে না বুঝে, না দেখেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউ ড্রেনটিতে বাঁশ-কলাগাছ নয়, রড ব্যবহার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও ছবি দিয়ে কে বা কারা অপপ্রচার চালিয়েছে।’ তিনি এ অপপ্রচার ও গুজব থেকে দূরে থাকার জন্য সকলকে আহ্বান জানান।
শর্শদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঞা মঙ্গলবার বিকালে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, এই ছবি মিথ্যা। এই ছবি দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নামে অপপ্রচারকারীদের প্রতি তিরস্কার জানান তিনি।