রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দুই সপ্তাহ ধরে আমাদের রাজনৈতিক পিতা এরশাদ গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা তার আশু সুস্থতা কামনা করছি। তবে যে কোনও মৃত্যু প্রকৃতির একটি নির্ধারিত নিয়ম। অসুস্থ অবস্থায় তিনি মারা গেলে তাকে তার ওছিয়তকৃত স্থান পল্লী নিবাসে দাফন করার দাবি জানাই আমরা।’
মেয়র বলেন, ‘অসুস্থ হওয়ার কিছুদিন আগে এইচ এম এরশাদ রংপুরে এসে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তার অন্তিম ঠিকানা রংপুরে তার বাস ভবন পল্লী নিবাসে করার জন্য ওসিয়ত করে যান। সে জন্য তিনি প্ল্যানিংও করেছিলেন। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় তা জনসম্মুখে বলে যেতে পারেননি। সে কারণে রংপুরসহ বিভাগের সব নেতাকর্মীর পক্ষে এরশাদকে তার ওসিয়তকৃত স্থান পল্লী নিবাসে দাফন করার আকুল আবেদন জানাই।’
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জাপা নেতা আজমল হোসেন লেবুসহ নেতাকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিটি মেয়র বলেন, ‘দলের নীতি নির্ধারকরা এবং বিভিন্ন নেতা এরশাদ মারা গেলে বিভিন্ন স্থানে দাফন করার কথা বলেছেন। এরশাদ যেহেতু জাতীয় নেতা আমরাও চেয়েছিলাম জিয়াউর রহমানের মতো চন্দ্রিমা উদ্যানের মতো কোনও পাবলিক প্লেসে তাকে দাফন করা হবে। আমরাও চেয়েছিলাম এরশাদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের তিন নেতার সমাধির পাশে সমাধিস্ত হবেন। যাতে তাকে সব স্তরের মানুষ, দলের নেতাকর্মীসহ সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে। কিন্তু সরকার যেহেতু এখানো এ ব্যাপারে কোন কোনও ঘোষণা কিংবা পদক্ষেপ নেয়নি, সেকারণে আমরা এরশাদের ওসিয়তকৃত স্থানে তাকে দাফন করার দাবি জানাচ্ছি।’