তিনি বলেন, ‘ধর্মঘট ঘোষণার পর তাৎক্ষণিকভাবে মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠক করেছি। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। মালিক সমিতি পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’ রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মালিক শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি এ তথ্য জানান।
বৈঠক শেষে ডিসি বলেন, ‘জরিমানা করা নিয়ে একটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। অভিযান পরিচালনার আগে ডিসিকে অবহিত করতে হয়। আজ বিআরটিএ’র ম্যাজিস্ট্রেট সেটি করেননি। তাই এই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। পরে আমি বুঝিয়ে বলার পর মালিক সমিতি ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’
পূর্বাঞ্চলীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অলি আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সামনে এ ধরনের জরিমানা করা হবে না- ডিসি’র এমন আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সামনে এ ধরনের বিষয়গুলো তিনি নিজে তদারকি করবেন বলে আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।’
এর আগে রবিবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে এসব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় পূর্বাঞ্চলীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অলি আহমেদ এ ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। আন্তজেলা বাস মালিক সমিতি ও পূর্বাঞ্চলীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন যৌথভাবে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয় বলে তিনি জানান।
অলি আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সারা বছর সরকার নির্ধারিত ভাড়া মেনে যাত্রী আনা-নেওয়া করা হয়। তারপরও অযৌক্তিকভাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে অভিযোগ এনে গণহারে জরিমানা করা শুরু করে দিয়েছেন। গত দুইদিনে তিনি চারটি গাড়িকে ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। সামনে কোরবানির ঈদ। ম্যাজিস্ট্রেট এভাবে প্রতিদিন জরিমানা করলে লাভ তো দূরের কথা অনেক টাকা লোকসান গুণতে হবে বাস মালিকদের।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ ৬৮ রুটে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ