এ ঘটনায় বুধবার প্রাধ্যক্ষ বিথীকা বণিকের অভিযুক্ত ভাই শ্যামল বণিককে গ্রেফতার করেছে মতিহার থানা পুলিশ। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েক শ’ শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন। সেখান থেকে তারা বঙ্গমাতা হলের সামনে গিয়ে অভিযুক্তের বিচার দাবি, হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ কয়েক দফা দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। ঘণ্টাখানেক অবস্থানের পর শিক্ষার্থীরা বঙ্গমাতা হল থেকে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে তারা প্রশাসন ভবনের সামনে বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা একই সঙ্গে দ্রুত হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেন। পরে উপাচার্য এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, যৌন নিপীড়নের শিকার শিক্ষার্থীর করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তিনি অধ্যাপক বীথিকা বণিকের মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ধরমপুর এলাকার বাসায় যান। পড়ানো শেষ হয় রাত সাড়ে ১০টার দিকে। আবহাওয়া ভালো না থাকায় এবং গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে ক্যাম্পাসে না গিয়ে বীথিকা তাকে সেখানেই যেতে বললে ওই ছাত্রী রাজি হন। রাত দেড়টার দিকে বীথিকা হলে চলে যান। তখন ওই বাসায় বীথিকার দুই মেয়ে, ছোট ভাই শ্যামল বণিক ও ভুক্তভোগী ছাত্রী ছিলেন। আনুমানিক রাত ২টার দিকে শ্যামল ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করে। এ সময় ওই ছাত্রী চিৎকার করলে শ্যামল রুম থেকে চলে যায়। পরে ছাত্রীটি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মতিহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার এবং শ্যামল বণিককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
আরও পড়ুন: রাবি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে হল প্রাধ্যক্ষের ভাই গ্রেফতার