সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট (মার্কসবাদী) জাবি শাখার সভাপতি মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, ‘আবরার ভারতকে বাংলাদেশের সম্পদ তুলে দেওয়ার সমালোচনা করেছে। এটা কি তার অপরাধ ছিল? হত্যা করার পর তাকে শিবির হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে তার সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জাবি শাখার সভাপতি সুস্মিতা মরিয়ম বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ যেভাবে ভারত তোষণনীতিতে চলছে, নিজেদের দাবি-দাওয়া আদায় না করে ভারতকে সবকিছু দিয়ে দিচ্ছে। এই নতজানু নীতির সমালোচনা করতে গিয়ে আবরার খুন হয়েছে। এই খুন শুধু বুয়েটের বিষয় নয়। সারাদেশের মানুষ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ খুনের বদলা নেবে।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা এমন এক স্বাধীনতা আমরা পেলাম, যেখানে মুক্তচিন্তার কোনও দাম নেই। শিবির সন্দেহে আবরার ফাহাদকে সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। যে সংগঠন এখনও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষিদ্ধ নয়, সে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে কেউ কাউকে হত্যা করতে পারে না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই, গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের লেবাসে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে, পাড়া-মহল্লা ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অপরাধীরা নির্বিঘ্নে পার পেয়ে যায়।’
আরও পড়ুন: ফোনে ডেকে নেওয়ার পর লাশ মিললো বুয়েট শিক্ষার্থীর