আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সম্প্রতি উপাচার্যের কাছে চাকরি প্রার্থীর ঘুষ ফেরত চাওয়ার অডিও ফাঁস হয়। এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষ তিন শিক্ষককে শোকজ করে।ওই তিন শিক্ষককের বিরুদ্ধে শোকজ তুলে নেওয়াসহ ১২ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন তারা। দাবি পূরণে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হলেও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে এখন তাদের এ আন্দোলন।আগামী ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই সংকট সমাধানের দাবি শিক্ষার্থীদের।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা তাদের বিভিন্ন বিষয়ে পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে আগামী শনিবার থেকে কর্মবিরতিসহ অবস্থান কর্মসূচি করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
এর আগে, গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেখানে সমাধান ছাড়াই বৈঠক শেষ হওয়ায় আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: পাবনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, শিক্ষকদের মানববন্ধন